বৃহস্পতিবার, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
গৌরনদীর বাউরগাতী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম কাজলকে পদায়ন করা হলো বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির দপ্তরের দায়িত্বে হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের কাজে আসছে না ২৪৩ কোটির দুই ভবন ঈদে মিলাদুন্নবীতে রাজধানীতে লাখো মানুষের জশনে জুলুস ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসনে ষড়যন্ত্র করছে অনেক মুখোশধারী: আইনমন্ত্রী বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিত সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে চলবে বিএনপি: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বার্থী তাঁরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত 

স্টামফোর্ড-আশাসহ ৪টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ২২৮ বার পঠিত

স্থায়ী ক্যাম্পাস ইস্যুতে বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় স্টামফোর্ড-আশাসহ চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। তবে আগামী ছয়মাসের মধ্যে এসব বিশ্ববিদ্যালয় দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিলে তাদের বিষয়ে বিবেচনা করা হবে। এছাড়াও এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

রোববার (১ জানুয়ারি) ইউজিসিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপন সংক্রান্ত এক জরুরি সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, আশা ইউনিভার্সিটি ও ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি।

সভা সূত্রে জানা যায়, আগামী ছয় মাসের মধ্যে এই চারটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসের বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নিলে তাদের বিরুদ্ধে আরো পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে।

সভা সূত্রে আরো জানা গেছে, ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপনে তালিকাভুক্ত ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়কে সময় বেঁধে দিয়েছিল ইউজিসি। এর মধ্যে নয়টি প্রতিষ্ঠানের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে কোনো কোনোটির ইন্ট্রোরিয়ার, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ এবং আসবাবপত্র কেনা বাকি রয়েছে। এমন নয়টি বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হতে আরো তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সময় সময় দেয়া হয়। এ সময়ের মধ্যে তাদের অ্যাকাডেমি-প্রশাসনিকসহ সব ধরনের কার্যক্রম স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তর করতে নির্দেশনা দেয়া হবে। এসব প্রতিষ্ঠানকে লিখিতভাবে এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হবে।

জানতে চাইলে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, আইন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের ১২ বছরের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তর হতে হবে। আইন অমান্য করা এমন ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়কে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়। এ সময়ের মধ্যে তাদের স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপন করে সব ধরনের কার্যক্রম সেখানে স্থানান্তরের নির্দেশ দেয়া হয়। স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে যাদের বিদ্যুৎ সংযোগসহ ইউটিলিটি সমস্যা রয়েছে তাদের তিন মাসের সময় দেয়া হয়েছে। স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভবন নির্মাণাধীন থাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যেগুলো দ্রুত যাওয়ার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে তাদের ছয় মাস পর্যন্ত সময় দেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি কেনাসহ কোনো ধরনের অগ্রগতি হয়নি। যারা স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। যারা নিজস্ব ক্যাম্পাসে সব কার্যক্রম স্থানান্তরে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে চলতি বছর থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে পরে যদি তারা তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার উদ্যোগ নেয়, সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে বিবেচনা করা হবে।

ইউজিসি সদস্য বিশ্বজিৎ চন্দ আরো বলেন, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়কে বছরব্যাপী সময় দেয়া হয়নি। যাদের নতুন করে তিন মাস সময় পেয়েছে তাদের পরবর্তী সিদ্ধান্ত ৩১ মার্চ নেয়া হবে। ছয় মাস সময় পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত হবে ৩০ জুন। নির্ধারিত সময়ে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে ব্যর্থ হলে সেগুলোতেও নতুন শিক্ষার্থী বন্ধের সিদ্ধান্ত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com