বৃহস্পতিবার, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
২৩৮৬৫টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে : আইনমন্ত্রী এক লাখ টন ডিজেল কিনছে সরকার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ‘জাতীয় সম্পদ’ ঘোষণা ইরানের সর্বোচ্চ নেতার টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সিলেটের নদ-নদীতে বেড়েছে পানি, বন্যার শঙ্কা গৌরনদী ইউএনওর বিরুদ্ধে ষরযন্ত্র করে মিথ্যাচার চালানোর অভিযোগ গৌরনদী পৌর এলাকায় উদ্বেকজনক মাত্রায় চুরির প্রবণতা বেড়েছে। দুই মাসের কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের অস্বাভাবিক হারে বাড়বে তেলের দাম, কটাক্ষ ইরানি স্পিকারের ৫ অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ৮ কর্মকর্তা বদলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময়

পুলিশ অফিসার যখন জনপ্রিয় মডেল ও বক্সার

অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৩৯২ বার পঠিত

একের মধ্যে তিনি যেন সব। একাধারে তিনি একজন পুলিশ, সুপার মডেল, বক্সার ও বাইকার। বিশ্বের লাখ লাখ মানুষের অনুপ্রেরণা হলেন একশা হাংমা সুব্বা। ২১ বছর বয়সী এই পুলিশ অফিসার পেশায় একজন সুপার মডেল ও বক্সার।

ঝড়ের গতিতে বাইকও চালান তিনি। নারী হিসেবে কোনো কাজকেই তিনি অবহেলা করেননি, বরং পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নিজেকে ছোট করে না দেখে পুরুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে ছোট থেকেই নিজেকে এভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সুব্বা।

সিকিমের রুম্বুক গ্রামে সুব্বার জন্ম হয়। তার বাবা একজন কৃষক। তার একজন বড় ভাই ও ছোট এক বোন আছে। ছোটবেলা থেকেই স্থানীয় বক্সিং ক্লাসে যোগদান করতে তিনি। এরপর একজন প্রফেশনাল বক্সারও বনে যান তিনি। একসময় তিনি টেলিভিশন রিয়েলিটি শো ‘এমটিভি সুপার মডেল অব দ্য ইয়ার’এ প্রবেশের স্বপ্ন দেখতেন।

তার ‘স্বপ্ন দেখার সাহস’ এর পেছনের মূল কাণ্ডারি ছিলেন বাবা। যিনি বিশ্বাস করতেন, তার মেয়েকে থামানো উচিত হবে না। তারা বাবা ব্রুট জানান, তিনিই মেয়েকে ফিটনেস ধরে রাখার ভালো মাধ্যম হিসেবে বক্সিং শিখতে বলেছিলেন। এক সময় মেয়ের আগ্রহ দেখে খুবই খুশি হন বাবা। খুব শীঘ্রই একশা জাতীয় স্তরে বক্সিংয়ে নিজ রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করেন।

১৯ বছর বয়সে স্নাতক পাস করার সময় তিনি চাকরি করার সিদ্ধান্ত নেন। তখন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তার বড় ভাই। পরিবারের দায়িত্ব নিতে তিনি সিকিমের পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। এজন্য তাকে কঠিন পরিস্থিতিতে ১৪ মাসের প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

একশা হাংমা সুব্বা বলেন, ‘আমি কখনো নারী হিসেবে পিছিয়ে থাকতে চাইনি। এ পর্যন্ত আমি যা যা অর্জন করেছি সবই আমার পরিশ্রমের ফল। আর তাই সব নারীরই মানসিক ও শারীরিকভাবে শক্তিশালী হওয়া জরুরি বলে আমি মনে করি।’

সূক্র: বেটার ইন্ডিয়া

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com