জুলাই ৩৬ গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা, ফেলানী হত্যাকাণ্ড এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাসসংবলিত বিভিন্ন প্রদর্শনী সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আজ শনিবার নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব অভিযোগ তোলেন আসিফ মাহমুদ। নিচে তার পোস্টটি তুলে ধরা হলো:
বিএনপি সরকার ক্ষমাতায় আসার পর উদ্বোধনের পূর্বে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে যা যা সরানো হয়েছে:
১. বর্ডার কিলিং রুম নামে একটি সেকশনে সীমান্ত হত্যার বিভিন্ন আলামত ও রেকর্ড সংরক্ষিত ছিল। উদ্বোধনের পূর্বে পুরো সেকশনটিই সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
২. সীমান্ত হত্যার শিকার ফেলানীর ভাষ্কর্য সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
৩. জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের লংমার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির অংশটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
৪. আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মোদি বিরোধী আন্দোলনের ইতিহাস সম্বলিত সেকশনটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
৫. ডিজিটাল সিক্যুরিটি অ্যাক্ট (ডিএসএ) এর মাধ্যমে নিপীড়নের শিকার ভিক্টিমদের আলামত এবং ইতিহাসের সেকশনটি ছোট করে ফেলা হয়েছে।
৬. ওয়ান ইলেভেন সরকার যে পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় এনেছিলো এবং সেই নীল নকশা যে প্রণব মুখার্জি এবং মঈনের বৈঠকে তৈরি হয়েছিল তার ইঙ্গিত পাওয়া যায় প্রণব মুখার্জির বইয়ে। জুলাই যাদুঘরের লং ওয়াক টু ডেমোক্রেসি সেকশনে প্রণব মুখার্জির এই বইয়ের রেফারেন্স ছিলো। সেটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। (এটা তো বিএনপিরই বরং রাখার কথা, ভিতর থেকে কোন গুপ্ত আবার লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে এটা সরিয়েছে হয়তো)।
এছাড়াও আরো ছোট ছোট অনেক এলিমেন্ট বাদ দিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই কম্প্রোমাইজ করা হয়েছে।