বৃহস্পতিবার, ১০:১৬ অপরাহ্ন, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন: সভাপতি জয়নুল আবেদীন সেই পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আজিজুরের সাক্ষাৎ ৮৬ ডেপুটি ও ১৭৯ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে কারাগারে লতিফ সিদ্দিকী ঢাকা পৌঁছেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের জন্য ‘এক পদ, এক বেতন’ ও ‘ডিফেন্স কলোনি’র নির্দেশ গৌরনদীর বার্থীতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি: শিক্ষার্থীদের হাতে সবুজ ভবিষ্যতের অঙ্গীকার  শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী এবার সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে দুই দফা হামলা জাপানে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮

এক দিন স্কুলে না যাওয়ায় ৫০০ বার কান ধরে ওঠবস

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৯ আগস্ট, ২০২২
  • ১৯৯ বার পঠিত

টাঙ্গাইলের সরকারি শিশু পরিবারের (বালিকা) এক নারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশু শিক্ষার্থীদের বেত্রাঘাত ও কান ধরে ওঠবস করানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা গতকাল রোববার দুপুরে অভিযোগ করলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক।

সূত্র জানায়, টাঙ্গাইল শিশু পরিবারে ৮৩ জন এতিম শিশু আছে। এছাড়া একজন বৃদ্ধাও রয়েছেন। আরও অনেক শিশু বাইরের বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। বিদ্যালয়ে এক দিন অনুপস্থিত থাকায় একাধিক শিক্ষার্থীকে বেত্রাঘাত করেন শিশু পরিবারের দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক বুশরাত জাহান। তিনি শিশুদের কানধরে ওঠবসও করান। শিশুরা প্রতিবাদ করলে নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।

এরই মধ্যে বেত্রাঘাতে কয়েক শিশু অসুস্থ হয়েছে বলেও জানা গেছে। একপর্যায়ে রোববার একাধিক শিক্ষার্থী টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কাছে গিয়ে মৌখিকভাবে নির্যাতনের বিষয়টি জানায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানায়, ‘আমরা এতিম। তাই সরকারি শিশু পরিবারে থেকে পড়াশোনা করি। এক দিন বিদ্যালয়ে না যাওয়ার কারণে দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক বুশরাত জাহান আমাদের একাধিকবার বেত্রাঘাত করেন এবং ৫০০ বার কান ধরে ওঠবস করান।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক বুশরাত জাহান বলেন, ‘আমি তাদের ভালোর জন্যই শাসন করেছি। এ ধরনের ভুল আমার আর হবে না।’

টাঙ্গাইল সরকারি শিশু পরিবারের (বালিকা) উপ-তত্ত্বাবধায়ক তানিয়া আক্তার বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর চিঠি দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি সন্তোষজনক জবাব দিয়েছেন। বিষয়টির সমাধান হয়েছে।’

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শাহ আলম বলেন, জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি জানান, শিশুরা অভিযোগ নিয়ে এসেছিল। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com