অন্য ভাষায় :
বৃহস্পতিবার, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, ২৩ মে ২০২৪, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।

হজ শুদ্ধ হওয়ার শর্ত

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক ‍॥
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০২২
  • ৭৬ বার পঠিত

হজ শুদ্ধ হওয়ার জন্য কিছু শর্ত আছে, যা পূরণ না করলে শরিয়তের দৃষ্টিতে হজ শুদ্ধ হয় না। শর্তগুলো হচ্ছে—

১. হজের নিয়ত করা : আর হজের নিয়ত করার বাহ্যিক পদক্ষেপ হলো ইহরাম বাঁধা। ইহরাম বাঁধা ছাড়া কারো হজ আদায় করা শুদ্ধ হবে না। (বুখারি, হাদিস : ১)#

ইহরাম বাঁধার নিয়ম : মিকাত (শরিয়ত কর্তৃক নির্ধারিত স্থান) অতিক্রম করার আগে ইহরাম বাঁধবে এবং তালবিয়া পাঠ করার মাধ্যমে হজের নিয়ত করবে।

পুরুষরা ইহরামের সময় সেলাই করা কাপড় খুলে সেলাইবিহীন কাপড় পরিধান করবে। (বুখারি, হাদিস : ১৭০৭)
আর নারীরা স্বাভাবিক কাপড় পরবে। তবে নিকাব বা এমন কোনো কাপড় যা চেহারার সঙ্গে লেগে থাকতে তা পরিধান করবে না।

 

তালবিয়া : তালবিয়া বিশেষ দোয়া বা তাসবিহ, যা ইহরাম বাঁধার সময় থেকে হজ আদায়ের বিভিন্ন পর্যায়ে পাঠ করা হয়। তা হলো—লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক লা-শারিকালাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান-নি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক। (বুখারি, হাদিস : ১৪৪৮) #

২. নির্ধারিত সময়ে হজ করা : হজের নির্ধারিত মাস ও সময় আছে। হজের বিধানগুলো এই সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হয়। হজের নির্দিষ্ট সময়ের আগে বা পরে হজ আদায় শুদ্ধ হবে না। (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৯৭)#

হজের নির্ধারিত সময় : হজের মাস হলো তিনটি। শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজের প্রথম ১০ দিন। এই সময়ের আগে হজের তাওয়াফ বা সাঈ করলে তা শুদ্ধ হয় না। হজের মাসের আগে ইহরাম বাঁধা মাকরুহ। (বুখারি : ৫/৪৬১)#

৩. নির্দিষ্ট স্থানে গমন : হজের সময় হাজিকে নির্ধারিত স্থানে যেতে হয় এবং অবস্থান করতে হয়। যেমন—আরাফায় অবস্থান করা, বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করা, সাফা ও মারওয়ার সাঈ করা ইত্যাদি। যদি আরাফায় অবস্থান না করা হয় বা তাওয়াফে জিয়ারত না করা হয়, তবে হজ শুদ্ধ হবে না। (সুরা : হজ, আয়াত : ২৯; নাসায়ি, হাদিস : ২৯৬৬)#

মিকাত : মিকাত হলো কিছু নির্দিষ্ট স্থান। হজযাত্রীদের জন্য ইহরাম বাঁধা ছাড়া এসব স্থান অতিক্রম করা বৈধ নয়। শরিয়তের পরিভাষায় যাকে মিকাত বলা হয়। (আউনুল মাবুদ : ৪/১৩৯)#

দিক ভিন্নতার কারণে মিকাতও ভিন্ন ভিন্ন। যেমন—ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মিকাত হলো ‘ইয়ালামলাম’। মিসর, সিরিয়া ও পশ্চিমাদের মিকাত হলো ‘জুহফা’। ইরাক তথা পূর্বের দেশগুলোর মিকাত হলো ‘জুল হুলাইফা’। নজদবাসীর মিকাত হলো ‘করন’। হজযাত্রীরা যেদিক থেকে আসবে মিকাতের আগে ইহরাম বেঁধে মিকাত অতিক্রম করবে। ইহরাম ছাড়া মিকাত অতিক্রম করা বৈধ নয়। মক্কাবাসীর মিকাত মক্কা। সুতরাং যারা লোক ‘হিল’ (মিকাত এবং হুদুদে হেরমের মধ্যবর্তী স্থান)-এ অবস্থান করছে তারা হুদুদে প্রবেশের আগে ইহরাম বাঁধবে। যারা হুদুদে হেরমে অবস্থান করছে তারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে ইহরাম বাঁধবে। (বুখারি, হাদিস : ১৪২৭)

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com