ডেস্ক রিপোর্ট:
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে শ্রদ্ধা জানাতে শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকেই সাভার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নেমেছে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জুমার নামাজের পর পঞ্চম ও শেষ জানাজা হবে গণবিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। এর পরে বাদ আসর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সূচনা ভবনের পাশে তাকে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ছেলে বারিষ চৌধুরী।
গত বৃহস্পতিবার সকালে মরহুমের ধানমন্ডির বাসায় প্রথম জানাজা হয়। এর পর তার মরদেহ নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে। সেখানে সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় সিক্ত হন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর দুপুরে রাষ্ট্রীয়ভাবে তাকে গার্ড অব অনার জানানো হয়। কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে দুপুর ১টার পর ডা. জাফরুল্লাহর মরদেহ তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শেষবারের মতো নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হয় তার দ্বিতীয় জানাজা। বিকেল ৪টায় মরহুমের চতুর্থ জানাজা হয় ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল চত্বরে।
মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) রাতে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ডা. জাফরুল্লাহ। তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। জাফরুল্লাহ চৌধুরীর জন্ম ১৯৪১ সালের ২৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার কোয়েপাড়া গ্রামে। তার বাবা হুমায়ন মোর্শেদ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা। মা হাছিনা বেগম চৌধুরী ছিলেন গৃহিনী। মা-বাবার ১০ সন্তানের মধ্যে জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন সবার বড়।