সোমবার, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।

জাতীয় সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী : বিশেষ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন শুক্রবার

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১২৪ বার পঠিত

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্ণ হবে আগামী ৭ এপ্রিল ।  স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭৩ সালের এই দিনে সংসদের প্রথম অধিবেশন হয়েছিল ঢাকার তেজগাঁওস্থ তৎকালীন জাতীয় সংসদ ভবনে (বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ছিলেন প্রথম সংসদের সংসদ নেতা। মনকাড়া সাজে সাজানো হয়েছে জাতীয় সংসদ ভবন। শুধু ভবন নয়, গোটা এলাকাই বর্ণিল আলো ছড়াচ্ছে সন্ধ্যার পর— বাসস

১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ছিল ১৫টি। সেই সংসদে স্পিকার নির্বাচিত হন মুহম্মদুল্লাহ এবং ডেপুটি স্পিকার বয়তুল্লাহ। পরে মুহম্মদুল্লাহ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে আবদুল মালেক উকিল স্পিকার নির্বাচিত হন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করেছেন। ৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় স্পিকার ড. শিরিন শারমীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অধিবেশন বসবে। বিশেষ অধিবেশনটি হবে চলতি একাদশ সংসদের ২২তম এবং চলতি বছরের দ্বিতীয় অধিবেশন।

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ৭ এপ্রিল বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। বিশেষ অধিবেশনে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের যাত্রা থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত ঐতিহাসিক বিভিন্ন অর্জনসমূহ তুলে ধরা হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণসমূহ প্রচার করা হবে। সংসদ সদস্যরা বিশেষ অধিবেশনে সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আলোচনায় অংশ নেবেন।

বিশেষ অধিবেশনটি কত দিন চলবে তা নির্ধারিত হবে সংসদের কার্যোপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে। বিশেষ এই অধিবেশনে সংসদের ৫০ বছর পূর্তির বিষয় ছাড়া অন্য কোনো কর্মসূচি রাখা হচ্ছে না।
জানা গেছে, সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে কয়েক জন বিদেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে পরিবর্তিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিদেশি অতিথিদের কেউ আসছেন না।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন পৃথিবীর অন্যতম দৃষ্টিনন্দন আইনসভা ভবন। রাজধানী ঢাকার শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবন এলাকার আয়তন ২১৫ একর। দৃষ্টিনন্দন এ ভবনের নকশা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত স্থপতি লুই আই কান। সংসদ ভবন এলাকাকে প্রধান ভবন, দক্ষিণ প্লাজা ও প্রেসিডেন্সিয়াল প্লাজা এই তিনটি অংশে ভাগ করা হয়েছে। সংসদের পেছন দিকে ক্রিসেন্ট লেক নামে একটি নান্দনিক জলাধার রয়েছে। সংসদের মূল ভবনের পাশাপাশি রয়েছে উন্মুক্ত সবুজ পরিসর, মনোরম জলাধার ও সংসদ সদস্যদের কার্যালয়।

১৯৬১ সালে ৯ তলা এ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ইতিহাসের নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি এ ভবনের উদ্বোধন করা হয়।

সূত্র : আমাদের সময় ডটকম

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com