জানা গেছে, প্রতিবেদনটি বর্তমানে যাচাই-বাছাই করছে প্রসিকিউশন। যাচাই শেষে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।
তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে হামলা, উসকানি ও অন্যান্য কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
তথ্য অনুযায়ী, এই সাত আসামির মধ্যে আমির হোসেন আমু, শাজাহান খান, কর্নেল (অব.) মুহম্মদ ফারুক খান ও মির্জা আজমের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে প্রথমবারের মতো বিচার কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। তবে বিচার শুরুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল ও ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে।