রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।জামিন আবেদনে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আরো উল্লেখ করেন, সালমান শাহের মৃত্যুর দুইটি সুরতহাল রিপোর্ট দুইটি পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এবং ভিসেরা রিপোর্ট ও রাসায়নিক রিপোর্ট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি আসামিপক্ষের। এ জন্য ডন জামিনের হকদার বলেও উল্লেখ করা হয় আবেদনে।
এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে খলনায়ক আশরাফুল হক ডনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সালমান শাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে তার সঙ্গে একত্রে চলাফেরা করার কারণে ডন সালমানের বিভিন্ন বিষয়ে অবগত ছিলেন।আবেদনে আরো বলা হয়, সালমান শাহর মৃত্যুর বিষয় ও মামলার ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে ডন অত্যন্ত কৌশলে কথা বলেন। তবে মামলার ঘটনার পূর্বে, পরে ও ঘটনার সময় তার আচার-আচরণ ও চালচলনে মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে অনেক তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মামলাটি অত্যন্ত আলোচিত ও চাঞ্চলকর হওয়ায় পাওয়া সব তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
সিআইডি জানায়, ডন অত্যন্ত চতুর প্রকৃতির হওয়ায় মামলার ঘটনা সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন।