আসন্ন ২০২৬ সালের হজে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের হজ যাত্রীদের সৌদি সরকারের নুশুক মাসার সিস্টেমে পাসপোর্ট এর বিস্তারিত বিবরণ দেওয়ার সর্বশেষ সময় ছিল ৮ ফেব্রুয়ারি। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের ২৮টি বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির ৭ হাজারের অধিক হজ যাত্রীর বিবরণ এন্ট্রি করা হয় নি। যার কারণে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে উল্লেখিত বেসরকারি হজ এজেন্সির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী হজ যাত্রীদের হজ্জ পালন।
এদিকে নির্ধারিত ৮ই ফেব্রুয়ারি পর সৌদি সরকারের হজ ও ওমরা মন্ত্রণালয় নুশুক মাশার সিস্টেম বন্ধ করে দেয়ায় এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয় এর যুগ্ম সচিব ড: মোঃ মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক পত্রে ২৮টি ট্রাভেল এজেন্সির নিকট নুসুক মাসার সিস্টেমে হজ যাত্রীদের ডাটা এন্টি করতে না পারার দায় দায়িত্ব নিরূপণপূর্বক যৌক্তিক কারণ আজ (১০ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার মধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রদান করার জন্য লিড এজেন্সি সমূহকে নির্দেশ প্রদান করেন।
উল্লেখিত ২৮ টি ট্রাভেল এজেন্সির মধ্যে এহসান এয়ার ট্রাভেল – ৫জন,আলী এয়ার ট্রাভেল এন্ড তোর – ৮ জন, তাকওয়া অতিথি টুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস-১৮ জন, মেসার্স সালসাবিল এভিয়েশন -২০জন,মদিনা টুরস এন্ড ট্রাভেল্স -৪৯ জন,গোল্ডেন বেঙ্গল ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস-৮৭জন,শাহ আমানত হজ কাফেলা-৫৮জন,সিকদার টুরস এন্ড ট্রাভেল এজেন্সি- ৫৬জন,এয়ার ট্রিপ ইন্টারন্যাশনাল -৯৮জন,আল গাজী ট্রাভেলস লি:-৯৪ জন,মিরপুর টুরস এন্ড ট্রাভেলস -১০৫জন,সানসাইন এক্সপ্রেস ট্রাভেল- ১২৬জন,সালাম ট্রাভেলস এন্ড টুরস- ১৩৩জন,ফারিহা ওভারসিজ- ১৯১জন,মাবরুর এয়ার ট্রাভেলস -১৬৫,জিয়ারত বাইতুল্লাহ ট্রাভেলস -২৪৩জন,নর্দান টুরসএন্ড ট্রাভেলস-২৩১জন,দিহফুর রহমান ট্রাভেল -২৩৬জন,দি সিটি ট্রাভেলস -২৮৮জন,প্রত্যাশা ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস -২৬৬জন,গ্লোবাল ট্রাভেল সার্ভিস -৩২৬,মিজাবে রহমত এভিয়েশন -৩০৬,মিডিয়া ট্রাভেল লিমিটেড -৩২২জন,নামিরা ট্রাভেলস ৪২৭জন,বাংলাদেশ ওভারসিজ সার্ভিস -৯৮১জন,দারুল ঈমান ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল এন্ড ট্যুরস-৬৮৭জন,দি ইসলামিয়া ট্রাভেলস এন্ড ট্যুর -৯৬৪জন এবং জান্নাত ট্রাভেলস -৯৯১জন এর উল্লেখিত হজ যাত্রীর এ বছর হজ পালন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।