মঙ্গলবার, ০৮:১৭ অপরাহ্ন, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে গৌরনদীতে মৎস্যজীবিদের ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরন জুলাই বিপ্লব খালেদা জিয়ার দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সফল পরিণতি: আইনমন্ত্রী    জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে  গৌরনদী পৌরবাসী, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরো দুই শিশুর মৃত্যু সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী আজ রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৮৮, মামলা ৫৫ সেপ্টেম্বরে ভয়ংকর হতে পারে ডেঙ্গু সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন রাজস্ব সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে দেখতে চান ক্যানিজিয়া

স্কুলছাত্রী ধর্ষণের পর হত্যা করে নিখোঁজের মাইকিং করা আসামির মৃত্যুদণ্ড

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১৩৮ বার পঠিত

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে তাওহীদা ইসলাম ইলমা নামের এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় মোহাম্মদ আলী বাপ্পী (২৩) নামের এক তরুণকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাপ্পি জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গজারিয়া গ্রামের মো. জাকারিয়ার ছেলে।

আদালত ও মামলার অভিযোগে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৫ মার্চ গজারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ইলমা নিখোঁজ হয়। সন্ধ্যার দিকে আসামি বাপ্পি নিজেই এলাকায় ওই ছাত্রীর সন্ধান চেয়ে মাইকিং করেন। রাতে বাড়ির লোকজন তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে, কিন্তু কোনো তথ্য না পেয়ে তাকে ছেড়ে দেন। পরের দিন সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ডাকাতিয়া নদী থেকে ইলমার মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ বাপ্পিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তখন বাপ্পী জানান, ইলমাকে তেঁতুল খাওয়ানো কথা বলে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করার পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ ডাকাতিয়া নদীতে ফেলে দেন তিনি। এ ঘটনায় ইলমার বাবা দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ইকবাল মনির একই বছরের ২ জুন আসামি বাপ্পী ও একই গ্রামের মিজানুর রহমানের (২২) বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার দত্ত বলেন, মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ, বাপ্পির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অপর আসামি মিজানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আসামি পক্ষের অ্যাডভোকেট মো. আতিকুল ইসলাম (আতিক) বলেন, ‘এ রায়ে আসামিপক্ষ অসন্তুষ্ট ও ক্ষুব্ধ। রায়ের কপি হাতে পেলে শিগগিরি উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com