মঙ্গলবার, ১১:৪৯ অপরাহ্ন, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার হবে: ইউজিসি চেয়াররম্যান প্রেমিকের সঙ্গে ঝগড়ার পর ১৯তলা থেকে লাফ, অলৌকিকভাবে বাঁচলেন তরুণী! পৌনে ৭ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬,১২৫ ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ‘বেআইনি সমকামী বিয়ে’, বিচার চাইলেন ১২৩০ নাগরিক ফেসবুক-টিকটক ব্যবহার না করার শর্তে শিশুকে হেফাজতে পেল মা নির্দেশ অমান্য করে হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

জ্বালাও-পোড়াও আর সহ্য করব না : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩১ জুলাই, ২০২৩
  • ৯৩ বার পঠিত

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আন্দোলন-সংগ্রাম দেখে ভয় পাবেন না। মন মরা (গোমরা) অবস্থা দেখতে চাই না কারও। জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে। জ্বালাও-পোড়াও আমরা আর সহ্য করব না। মানুষের ভাগ্য নিয়ে আমরা কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেব না।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আজ সোমবার (৩১ জুলাই) দুপুরে বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক প্রদান অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা কথা মনে রাখবেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা আমাদের সমর্থন করেনি তাদের মনের বৈরিতা কিন্তু এখনো কেটে যাইনি। সেটা অতিক্রম করেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

গ্রামের মানুষ ভালো আছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন ঢাকায় জিনিসপত্র নিয়ে যে হাহাকার, সেটা গ্রামে নাই। কারণ তারা নিজেরাই উৎপাদন করছে। গ্রামের মানুষ ভালোই আছে।

এসময় প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জ্বালাও পোড়াও দেখে ভয় পাবেন না। আমরা আর এটা করতে দেব না। আন্দোলন যে কেউ করতে পারে, কিন্তু মানুষের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেব না। সংকট আসবে, সেটা মোকাবিলা করার মতো মনোবল থাকতে হবে। মন মরা (গোমরা) অবস্থা দেখতে চাই না কারও।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছি। স্বাস্থ্যসেবা সবার দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি। শতভাগ মানুষের ঘরবাড়ি থাকবে। কেউ পিছিয়ে থাকবে না। উন্নতি হবে সবার। তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত আমাদের কাজের ছাপ রাখছি। আগে যে হাহাকার ছিল, এখন কিন্তু সেটি নেই। আগে মিটিং করতে গেলে দেখতাম, ছেঁড়া কাপড়। এখন সেটি দেখি না।

শেখ হাসিনা বলেন, দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ে ঢাকায় যতটা হাহাকার, গ্রামেগঞ্জে কিন্তু সেটি নেই। ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে ক্ষুধা দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা। আমরা পরিকল্পনা করে দিয়েছি, এখন ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পালা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। একসময়ে আমি নিজেও পৃথিবীর অনেক দেশে যেতাম ও থাকতাম। কোথাও কোনো সেমিনারে অংশগ্রহণ করলে বাংলাদেশ শুনলে বলত বাংলাদেশ দুর্যোগের দেশ, বাংলাদেশ গরীব দেশ, বাংলাদেশ সম্পর্কে একটা বিরূপ ধারণা ছিল। এটা সত্যি খুব কষ্ট দিত। আমরা বিজয়ী জাতি। আমরা বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলব। আমরা কেন মাথা নিচু করে চলব? আমার একটাই লক্ষ্য এই স্বাধীনতা ব্যর্থ হতে পারে না। আমরা হতে দেব না। দারিদ্র্যের হার ৪১ ভাগ থেকে কমিয়ে ১৮ ভাগে নামিয়ে এনেছি। ইনশাল্লাহ আরও কমিয়ে নিয়ে আসব।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com