মঙ্গলবার, ০৪:৩১ অপরাহ্ন, ১১ অগাস্ট ২০২৬, [bangla_date] , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শুরু ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণ: ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ‘র’ প্রধানের ঢাকা সফর নিয়ে যে বার্তা দিলেন তথ্য উপদেষ্টা চাঁদপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ, নিহত ৩ স্ত্রীসহ হত্যার হুমকি, পুলিশের দ্বারস্থ সৌরভ গাঙ্গুলী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সভা চলছে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহী ভিসা গৌরনদীতে দক্ষিণবঙ্গ সাহিত্য পরিষদের নতুন নেতৃত্বে পলাশ–মামুন গৌরনদীতে সাংবাদিককন্যা মাহজাবীন আদরের জিপিএ-৫ অর্জন তথ্যমন্ত্রীর গ্রামের বাড়িতে ভাজা ইলিশ আর রসমালাইয়ের স্বাদে আপ্লুত মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ভাগে কোরবানি দেওয়ার নিয়ম

অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৫ জুন, ২০২৩
  • ১৬৩ বার পঠিত

মুসলিম উম্মাহর সার্বজনীন দুইটি উৎসবের অন্যতম একটি কোরবানির ঈদ। ঈদুল আজহার প্রধান আকর্ষণ ও বড় আমল হলো কোরবানি করা। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে প্রিয় পশুর কোরবানি দেওয়া হয়।

কোরবানি হলো ইসলামের একটি মহান নিদর্শন। আল্লাহ তাআলা কোরবানির নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যে নামাজ পড়ুন এবং কোরবানি আদায় করুন।’ (সুরা কাউসার: ২)

কোরবানির শর্ত অনুযায়ী যার উপর ওয়াজিব হয়েছে তিনিই শুধু কোরবানি দিতে পারেন। সামর্থ্য অনুযায়ী কেউ একাই পশু কোরবানি দেন। কেউ আবার শরিক হয়ে ভাগে কোরবানি দেন।

ইসলামী শরীয়া অনুযায়ী ভেড়া, দুম্বা, ছাগল দ্বারা এক পরিবারের পক্ষ থেকে একটা পশু কোরবানি করতে পারবেন। আর উট, গরু, মহিষ দ্বারা সাত জনের নামে সাতটি কোরবানি করা যাবে। এক্ষেত্রে ৭ জন অংশীদারকে সমানভাবে অর্থ দিতে হবে এবং তাদের মধ্যে কোরবানির পশুর মাংসও সমানভাবে ভাগ করে দিতে হবে।

এ ছাড়াও ভাগে বা অংশীদার হয়ে কোরবানির করার পেছনে আরও কিছু নিয়ম রয়েছে। যেগুলো জেনে এবং মেনে কোরবানির ভাগের শরীক হতে হবে।

• অংশীদারদের কেউ যদি আল্লাহ তাআলার হুকুম পালনের উদ্দেশ্যে কোরবানি না করে, শুধু গোশত খাওয়ার নিয়তে কোরবানি করে; তাহলে তার কোরবানি শুদ্ধ হবে না। তাকে অংশীদার বানালে অংশীদারদেরও কোরবানি হবে না। তাই অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অংশীদার নির্বাচন করা জরুরি। (বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২০৮, কাজিখান: ৩/৩৪৯)

• কোরবানির গরু, মহিষ ও উটে আকিকার নিয়তে অংশীদার হতে পারবে। এতে কোরবানি ও আকিকা দুটোই শুদ্ধ হবে। ছেলের জন্য দুই অংশ আর মেয়ের জন্য এক অংশ দিতে হবে।

• শৈশবে আকিকা করা না হলে বড় হওয়ার পরও আকিকা করা যাবে। যার আকিকা সে নিজে এবং তার মা-বাবাও আকীকারগোশত খেতে পারবে। (ইলাউস সুনান: ১৭/১২৬)

• ফাতাওয়া শামীসহ ফিকহ-ফাতাওয়ার কিতাবাদিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, কোরবানির সাথে আকীকা সহীহ। (রদ্দুল মুহতার ৬/৩২৬; হাশিয়াতুত তহতাভি আলাদ্দুর: ৪/১১৬)

• কোরবানি করতে হবে সম্পূর্ণ হালাল সম্পদ থেকে। হারাম টাকা দ্বারা কোরবানি করা শুদ্ধ নয় এবং এক্ষেত্রে অন্য অংশীদারদের কোরবানিও শুদ্ধ হবে না।

• কেউ যদি গরু, মহিষ বা উট একা কোরবানি দেওয়ার নিয়তে কিনে আর সে ধনী হয়, তাহলে তার জন্য এপশুতে অন্যকে অংশীদার করা জায়েয। তবে এতে কাউকে শরিক না করে একা কোরবানি করাই শ্রেয়। শরিক করলে সে টাকা সদকা করে দেওয়া উত্তম।

• আর যদি ওই ব্যক্তি এমন গরীব হয়, যার উপর কোরবানি করা ওয়াজিব নয়, তাহলে যেহেতু কোরবানির নিয়তে পশুটি ক্রয় করার মাধ্যমে লোকটি তার পুরোটাই আল্লাহর জন্য নির্ধারণ করে নিয়েছে, তাই তার জন্য এ পশুতে অন্যকে শরিক করা জায়েজ নয়। যদি শরিক করে তবে ওই টাকা সদকা করে দেওয়া জরুরি হবে। কোরবানির পশুতে কাউকে শরিক করতে চাইলে পশু ক্রয়ের সময়ই নিয়ত করে নিতে হবে। (কাজিখান: ৩/৩৫০-৩৫১, বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২১০)

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com