বুধবার, ০৮:৫১ অপরাহ্ন, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
ফিকে হয়ে যাচ্ছে নেতানিয়াহুর ‘ট্রাম্প কার্ড’? আলিফের একটা চোখের দৃষ্টি টোটালি শেষ: সারজিস পুত্রজায়ায় মন্ত্রী-উপদেষ্টার সঙ্গে মানবসম্পদ মন্ত্রীর বৈঠক, শ্রমবাজার নিয়ে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে খননকাজ, নোয়াখালী থেকে প্রতিদিন মিলতে পারে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সার্ককে কার্যকর করতে একমত ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও নেপালের রাষ্ট্রদূত সাবেক ডিআইজি ফারুকের বরখাস্তের আদেশ বাতিল করে প্রজ্ঞাপন ইসিতে ৯ দফা দাবি জানাল জামায়াত চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক বিএনপি নেতা কারাগারে ব্রাজিলকে বিদায় জানালেন নেইমার ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৩৪

খামেনির জানাজায় লাখো মানুষের কান্না দেখে বিস্মিত ট্রাম্প

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ১৩ বার পঠিত

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির জানাজা চলাকালে উপস্থিত জনতার কান্নায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, তিনি ভেবেছিলেন ইরানের মানুষ খামেনিকে ঘৃণা করত। এরপর ব্যঙ্গ করে তিনি বলেন, ‘হয়তো এগুলো নকল কান্না।’

এদিকে ওই সাক্ষাৎকারে দেশটির নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে নতুন করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, চাইলে এক গুলিতেই ইরানের বাকি শীর্ষ নেতৃত্বকে হত্যা করা সম্ভব, তবে আলোচনার সুযোগ নষ্ট হবে বলেই তা করা হচ্ছে না।

ট্রাম্প বলেন, ‘ওরা সবাই এক জায়গায় রয়েছে। একটি গুলিতেই আমরা সবাইকে শেষ করে দিতে পারি। কিন্তু আমরা তা করছি না, কারণ তাহলে আলোচনার জন্য আর কাউকে পাওয়া যাবে না। তারা চুক্তি করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।’

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, খামেনির শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান শেষ না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষ এক সপ্তাহের জন্য আলোচনা ও সামরিক পদক্ষেপ স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র বা ইরান কোনো পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলা চালাবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

৩৬ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আলী খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরুর দিন নিহত হন। তার মৃত্যুর পর মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের সূচনা হয়।

ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী সাধারণত মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দাফন সম্পন্ন করার বিধান থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে খামেনির দাফন বিলম্বিত করা হয়।

ইরান গত ৪ জুলাই, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ২৫০তম বার্ষিকীর দিন থেকেই খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৭ জুলাই কোম শহরে ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। পরে বিভিন্ন ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৯ জুলাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পবিত্র শহর মাশহাদে তার দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নিতে ইতোমধ্যে লাখো মানুষ ইরানের বিভিন্ন শহরের রাস্তায় জড়ো হয়েছেন। আন্তর্জাতিকভাবেও এই জানাজা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

শনিবার বিদায় অনুষ্ঠানে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে আবেগাপ্লুত হয়ে কাঁদতে দেখা যায়।

এদিকে নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে আলী খামেনির ছেলে ও বর্তমান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বাবার জানাজার অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে উপস্থিত থাকবেন না বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com