শনিবার, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।

যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে ইরানে ‘অত্যাধুনিক অস্ত্র’ পাঠাচ্ছে চীন

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭ বার পঠিত

যুদ্ধবিরতির নাজুক পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানে নতুন করে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মতো অত্যাধুনিক অস্ত্র পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একাধিক সূত্রের বরাতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সিএনএন

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই সরঞ্জাম পাঠানো হতে পারে। এই খবর সামনে আসায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

কারণ, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত থামাতে মধ্যস্থতার ভূমিকায় থাকার কথা বলেছিল বেইজিং। সেই অবস্থান ধরে রেখেই যদি গোপনে অস্ত্র সরবরাহ করা হয়, তবে তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

গোয়েন্দা সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, চীন যে অস্ত্র পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, তা হলো কাঁধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। এটি ‘ম্যানপ্যাডস’ নামে পরিচিত। এই ধরনের অস্ত্র বিশেষ করে নিচুতে উড়া যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারের জন্য বড় হুমকি।

সূত্রগুলোর মধ্যে দুজন জানিয়েছেন, এই অস্ত্র সরাসরি চীন থেকে ইরানে পাঠানো হবে না। বরং তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে সরবরাহের চেষ্টা চলছে, যাতে এর প্রকৃত উৎস গোপন রাখা যায়। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছে ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাস।

তাদের দাবি, চীন কখনোই সংঘাতে জড়িত কোনো পক্ষকে অস্ত্র দেয় না এবং আন্তর্জাতিক দায়িত্বশীলতা বজায় রেখেই চলেছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেন, ইরানের আকাশে ভূপাতিত একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ‘তাপ-অনুসন্ধানী ক্ষেপণাস্ত্র’ দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। অন্যদিকে ইরানও বিমান ভূপাতিত করতে একটি ‘নতুন’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যবহারের কথা জানিয়েছে। তবে সেটি কোথা থেকে এসেছে, তা স্পষ্ট করেনি।

তবে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখতে এবং নিজেদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরোক্ষভাবে সহায়তা দিতে পারে। একই সঙ্গে তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিরপেক্ষ অবস্থানও ধরে রাখতে চাইছে।

উল্লেখ্য, ইরানের সঙ্গে চীন ও রাশিয়ার দীর্ঘদিনের সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে ড্রোন সরবরাহ করে ইতিমধ্যে আলোচনায় এসেছে তেহরান।

আগামী মাসে চীন সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ইরান ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com