অন্য ভাষায় :
বৃহস্পতিবার, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, ২৩ মে ২০২৪, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।

সাবেক এসপি বাবুলের দুই সন্তানকে ৩ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ জুলাই, ২০২২
  • ১০০ বার পঠিত

সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যা মামলায় তাদের দুই শিশু সন্তানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আজ সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টাব্যাপী মাগুরা জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কার্যালয়ে তাদের জিজ্ঞাসবাদ করা হয়।

চট্টগ্রাম পিবিআই-এর পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবু জাফর মো. ওমর ফারুক বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে তিনি জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কক্ষে শিশুদের দাদা আব্দুল ওয়াদুদ মিয়ার উপস্থিতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, প্রবেশন অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বাবুল আক্তারের বাবা আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া বলেন, বাবুল আক্তার ও মিতু দম্পতির ছেলে আক্তার মাহামুদ মাহির (১২) ও মেয়ে তাবাসসুমকে (৯) সোমবার সকাল ১০টায় মাগুরা জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কার্যালয়ে আনা হয়। তার উপস্থিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ছোট বাচ্চাদের টানা তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাবাদ করা অমানবিক বলে তিনি অভিযোগ করেন।

বাবুলের বাবা বলেন, তার সন্তান বাবুল আক্তার একজন সৎ, বলিষ্ট ও ন্যায়নিষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। পাঁচ বার পিপিএম পদক পেয়েছেন। তাকে ষড়যন্ত্র করে এ মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তিনি মামালার ন্যায় বিচারের স্বার্থে মূল অভিযুক্ত মুসাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। মুসা গ্রেপ্তার হলেই মামলার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন হবে বলে তিনি দাবি করেন।

বাবুল আক্তারের ভাই হাবিবুর রহমান লাবু অভিযোগ করেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা হাইকোর্টের আদেশ ভঙ্গ করে সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে বাইরে গিয়ে ফোনে কথা বলেছেন। এ ছাড়া তিনি (তদন্তকারী কর্মকর্তা) তদন্ত কক্ষে হাইকোর্টের নিদেশর্না না মেনে অতিরিক্ত লোক প্রবেশ করিয়েছেন। এ ব্যাপারে তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা আবু জাফর মো. ওমর ফারুক এ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।তিনি হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সুন্দর পরিবেশে, সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন বলে দাবি করেন।

মাগুরা জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আশাদুল ইসলাম বলেন, তিনি মহামান্য হাইকোর্টের নিদের্শনা পালন করেছেন। সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার ও প্রয়াত মাহমুদা আক্তার মিতু দম্পত্তির দুই শিশু সন্তানকে কোর্টের আদেশে তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ সবার সামনে হাজির করে সাক্ষ্যগ্রহণের ব্যবস্থা করেছেন। সব কিছু সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে শিশু সন্তানকে স্কুলবাসে তুলে দিতে গিয়ে চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে সন্তানের সামনে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতুকে। ওই সময়ে ছেলে আক্তার মাহমুদ মাহিরের বয়স ছিল ৬ বছর এবং মেয়ে তাবাসসুমের বয়স ছিল ৪ বছর। হত্যাকাণ্ডের একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী ছেলে আক্তার মাহমুদ মাহির। বর্তমানে তারা বাবুলের মাগুরার কাউন্সিল পাড়ার বাড়িতে দাদা, চাচার সঙ্গে থাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com