মঙ্গলবার, ১০:০৭ অপরাহ্ন, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।
শিরোনাম :
আন্দোলনকারীদের উসকে দিলে হিতে বিপরীত হতে পারে: সর্ব মিত্র চাকমা এমসি কলেজে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন দাবি ভুক্তভোগীর, অস্বীকার অভিযুক্তের, নারী সংক্রান্ত অভিযোগের কথা বলে বিএনপি কার্যালয়ে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ দীর্ঘ ২০ বছর পর কলকাতায় যাচ্ছেন তসলিমা নাসরিন বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান মির্জা ফখরুলের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ‘স্টার্টআপ উদ্যোক্তাকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সহযোগিতা করার চেষ্টা করব’ সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ উন্নত বাংলাদেশ গড়তে দক্ষ যুবসমাজ গড়ে তোলার বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি অবসরে আপিল বিভাগের বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম বাঁধ মেরামত ও নদী তীর সংরক্ষণে জোরালো ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

গৃহকর্মীকে নির্যাতনের দায়ে স্ত্রীসহ মানবাধিকারকর্মীর সাত বছরের কারাদণ্ড

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
  • ১৪ বার পঠিত

রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় ১৪ বছরের গৃহকর্মী হাওয়া আক্তারকে নির্যাতনের মামলায় মানবাধিকারকর্মী মোস্তাকিন শরীফ এবং তার স্ত্রী জান্নাতুল নাঈমাকে সাত বছরের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ রোববার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক শাহানাজ সুলতানা এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবু রায়হান সরকার জানান, রায়ে দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। যা অনাদায়ে তাদের প্রত্যেকের আরও ৬ মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি ট্রাইব্যুনালে হাজির ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩১ অক্টোবর খিলগাঁও থানার দক্ষিণ বনশ্রী এলাকার একটি বাসা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাওয়া আক্তারকে উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ হাওয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায়, ‘২০১৮ সালের ১ জুলাই থেকে গৃহকর্মী হিসেবে ওই বাসায় কাজ করতো। কাজের ত্রুটির অজুহাতে তাকে সবসময় গালি-গালাজ, লোহার খুন্তি ও রড দিয়ে দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দিতো। হাওয়াকে একজন ধরতো, আরেকজন মারতো। সে কান্নাকাটি করলে তারা হাসাহাসি করতো। হাওয়াকে তার পরিবার বা স্বজনদের সাথে দেখা করতে দিতো না।’

এ ঘটনায় খিলগাঁও থানার তৎকালীন এসআই সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন ৩১ অক্টোবর মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে পরের বছরের ২২ অক্টোবর দুইজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্তকর্তা খিলগাঁও থানার এসআই প্রশান্ত বালা।অভিযোগপত্রে উঠে আসে নির্মম নির্যাতনের কথা।

চার্জশিটের অভিযোগপত্রে বলা হয়, ‘আসামিরা সম্পূন্ন ঠান্ডা মাথায় ২০১৮ সালের ৭ জুলাই থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত হাওয়াকে আটকে রেখে লোহার খুন্তি, রড গরম করে ছ্যাঁকা দিয়ে গুরুতর পোড়া, জখম, গ্যাসের চুলার আগুনে চুল পুড়িয়ে দিত। গরম চাকু দিয়ে ছ্যাঁকা দিয়ে জখম করে সেখানে মরিচের গুড়া দিয়ে তীব্র যন্ত্রণা সৃষ্টি তথা তাকে বিভিন্নভাবে অমানবিক, অকল্পনীয়ভাবে সমস্ত শরীর ক্ষত-বিক্ষত করে তার স্বাভাবিক জীবনকে ব্যাহত করে চিরতরে পঙ্গু করে দিয়েছে।’

ট্রাইব্যুনাল ২০২২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। মামলার বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com