দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ শনিবার অনুষ্ঠিত হবে মানবিক অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা। বেলা ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত একঘণ্টা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যেই সার্বিক
বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে প্রায় ৭৮ শতাংশ আসনই শূন্য পড়ে আছে। ৫৬৪টি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আসন আছে ৩ লাখ ৬৭ হাজার। কিন্তু এবার এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছে মাত্র ৮১
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) এর ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ/লেভেল-১ বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং, বিইউআরপি ও বিআর্ক কোর্সের
দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে জনবল নিয়োগে বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। পাশাপাশি তাদের বেতন-ভাতা প্রদানেও মানা হচ্ছে না সুনির্দিষ্ট কোনো নীতি। অনার্স-মাস্টার্সে প্রথম-দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে নিয়োগ পাওয়া প্রভাষকের চেয়েও কোনো কোনো
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে রাখার দাবিতে আজ মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে পদবঞ্চিতরা। এতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস কার্যত অচল হয়ে আছে। আন্দোলনরত ছাত্রলীগকর্মী মোহাম্মদ দেলোয়ার বলেন, ‘আমাদের
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে চলমান ছাত্রলীগের একাংশের বিক্ষোভের কারণে চারটি বিভাগের চূড়ান্ত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আজ সোমবার পরীক্ষা স্থগিত করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন চবির ভারপ্রাপ্ত
বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক পড়ছেন এক শিক্ষার্থী। মাসখানেক আগে সেখানেই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বর ছিল ১০০। তবে ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায়, ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ওই শিক্ষার্থী
মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন বছর পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদবাণিজ্য ও অছাত্রদের রাখার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে বিক্ষোভ করছে ছাত্রলীগের একাংশ। এর ফলে আজ সোমবার
আগামী রোববার থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। চলতি বছর মোট ১ হাজার ৮৮৮টি আসনের বিপরীতে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৬০৬ শিক্ষার্থী
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনাকালে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পোষাতে পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে। এখন তা সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষায়। তিনি বলেন, যাদের শিখন ঘাটতি হয়েছে তাদের ঘাটতি কিভাবে পূরণ করা হবে,