শনিবার, ০৫:৪২ অপরাহ্ন, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ৬ই আশ্বিন, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
নোটিশ :
মানব সেবায় নিয়োজিত অলাভজনক সেবা প্রদানকারী সংবাদ তথ্য প্রতিষ্ঠান।

বরিশালে মাংসের বাজার চড়া, ক্রেতা-বিক্রেতার ক্ষোভ!

সময়ের কণ্ঠধ্বনি ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১১ মার্চ, ২০২৩
  • ৫৬ বার পঠিত

বরিশালের বাজারে বেড়েছে মাছ-মাংসের দাম। নগরীর বিভিন্ন বাজারে গরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও খাসির মাংস এক হাজার করে বিক্রি হচ্ছে।

নগরীর বাংলাবাজারের মাংস বিক্রেতা শেখ রকি জানান, বাজারে ৭৫০ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস ও এক হাজার টাকা দরে খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে। ফলে মাংসের ক্রেতা দিনের পর দিন কমছে।

তিনি আরও জানান, খাসির মাংস এক হাজার টাকা কেজি হওয়ার পর থেকে সাধারণ মানুষ কিনছেন না। বিয়ে বা পিকনিকের অনুষ্ঠানে জন্য মানুষ খাসির মাংস নিচ্ছেন। এভাবে চলতে থাকলে দোকান টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।

শেখ রকি জানান, আগে যশোর-সাতক্ষীরা থেকে একটি গরুবোঝাই ট্রাক আসতে ভাড়া লাগতো ১৪-১৫ হাজার টাকা। এখন সেই ট্রাক বরিশাল পর্যন্ত আনতে ভাড়া গুণতে হয় ২৫-২৮ হাজার টাকা। তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে এ বাড়তি ভাড়া গুণতে হচ্ছে।

এ বাজারের আরেক মাংস বিক্রেতা ইউসুফ আলী বলেন, আগে বাজারের প্রতিটি দোকানে প্রতিদিন একটি বড় গরু জবাই করা হতো। এখন সেখানে একটি গরুতো দূরের কথা অর্ধেক গরুও বিক্রি হয় না। তাই বর্তমানে একটি গরু জবাই করে তিন চার দোকানি মিলে ভাগ করে বিক্রি করছি।

তিনি আরও বলেন, কেউ এখন আর ফ্রিজে রাখা মাংস নিতে চায় না। একদিনের অবিক্রিত মাংস থেকে গেলে পরদিন বিক্রি করা যায় না। তাই একটি গরু জবাই করে কয়েক দোকানে ভাগ করে নিয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে। এ কারণে ব্যবসা কমে এসেছে। অনেক দোকান মালিক কর্মচারীদের বেতন পর্যন্ত দিতে পারছেন না।

একই অবস্থা নগরীর অন্যান্য বাজারগুলোতেও। মাংস বিক্রেতারা বলছেন, ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা পর্যন্ত গরুর মাংস ঠিক ছিল। কিন্তু ৭০০-৭৫০ টাকা কেজি হওয়ার পর থেকে আর বেচাবিক্রি নেই।

নগরীর সাগরদী বাজারের মুরগি বিক্রেতা রানা বলেন, মূল্যবৃদ্ধির কারণে ক্রেতা কমে অর্ধেকে দাঁড়িয়েছে। এখন মুরগি কিনলেও কেউ এক থেকে দেড় কেজির বেশি নিচ্ছে না।

তিনি জানান, কয়েক দিনের ব্যবধানে দেশি মুরগির দাম কেজিতে ৮০ টাকা বেড়ে ৫৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ব্রয়লার, সোনালী, সাদা কক, লেয়ার মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ২০-৫০ টাকা। বাজারে সোনালী মুরগি ৩৩০ টাকা, ব্রয়লার ২৪০-২৫০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা, সাদা কক ৩১০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, রুই-কাতলা মাছ কেজি ৩৫০-৪০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ৮০-১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ি ছোট ৩৫০-৪৫০ ও বড় চিংড়ি ৫০০-৭০০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে। পোয়া মাছ ২৫০-৩৫০ পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। কৈ মাছ ২২০-২৫০ ও সিং মাছ ২৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। পাবদা ৩০০-৪০০ টাকা, পাঙাশ ১৫০ টাকা কেজি ও ইলিশ ৬০০-এক হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2021 SomoyerKonthodhoni
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com